শুধুমাত্র মহেশপুরে ফ্রি ডেলিভারি প্রযোজ্য
- Home
- Page
About PACE
Promoting Agricultural Commercialization and Enterprises (PACE) Project. প্রকল্পের লক্ষ্য : ইমিটেশন গোল্ড জুয়েলারী উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধিকরণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য : গুণগতমান সম্পন্ন জুয়েলারী পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের লাভজনক ব্যবসার সুযোগ ও ব্যবসার পরিবেশের উন্নয়ন ঘটানো।
দরিদ্র ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠির মজুরি ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিক্রয় ও আয় বৃদ্ধিকরণ।
প্রকল্পের কর্মএলাকা : ঝিনাইদহ জেলার, মহেশপুর উপজেলায় ০১ টি পৌরসভা ও ০৪ টি ইউনিয়নে মোট ১৩ টি গ্রামে PACE প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের মোট সদস্য সংখ্যা : ১৫০০ জন
প্রকল্পের মোট বাজেট বরাদ্দ : ১,৬২,৮৮,৩৫৮ টাকা
প্রকল্পের মেয়াদ : জুলাই ২০১৬ হতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত
প্রকল্পের মোট বাজেট বরাদ্দ : ১,৬২,৮৮,৩৫৮ টাকা
প্রকল্পের মেয়াদ : জুলাই ২০১৬ হতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত
Background
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর অঞ্চলের স্বর্নকাররা ২০০৩ সাল থেকে ইমিটেশন গোল্ড জুয়েলারী উৎপাদন শুরু করে। এ অঞ্চলের উদ্যোক্তারা সাধারনত: কানের দুল উৎপাদন করতেন। গুণগত মানসম্পন্ন ও নিত্যনতুন ডিজাইনের জুয়েলারী পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার অভাব ছিলো। উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমানের প্যাকেজিং না করায় অনেক সময় পণ্যের রং এর স্থায়িত্ব কম হতো এবং পুনরায় রং করলে পণ্যের গুণগতমান ঠিক থাকতো না, যে কারনে ইমিটেশন জুয়েলারী কম দামে বিক্রি হতো। ইমিটেশন কারিগররা পূর্বে কোন প্রশিক্ষণ না পাওয়ায় তারা শুধুমাত্র কানের ছোট ছোট দুলের কাজ করতো যার উৎপাদন খরচ ছিল ৩/৪ টাকা এবং বিক্রি ছিল ৫/৬ টাকা। ফলে তারা সারাদিনে খরচ বাদ দিয়ে ৮০-১০০ টাকা আয় করতো।
বাংলাদেশে ইমিটেশনের চাহিদা:
- নানা রকম পাথর ও পুঁতির সংযোজনে তৈরি বাহারি নকশার ইমিটেশন গহনা হালফ্যাশন নারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প গহনা হিসেবে ইমিটেশনের ব্যবহার বাড়ায় এ শিল্পে বিপুল পরিমাণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ মানুষ এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত হয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছে।
সভ্যতার সূচনাকাল থেকে পৃথিবীর সব দেশেই নারী তার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলতে গহনার ব্যবহার করে আসছে। লতাপাতা বা মাটি দিয়ে এ গহনার সূচনা হলেও কালের বিবর্তনে মূল্যবান ধাতু সোনা, রুপা, প্লাটিনাম, হীরা, মুক্তা, নীলা খচিত গহনার কদর নারীদের কাছে বাড়তে থাকে। সাধারনত নিন্ম আয়ের নারীরা, যেমন- গার্মেন্টস শ্রমিক, গ্রামিন নারী, স্কুল-কলেজগামী তরুণীরাসহ নব-বিবাহিত বধুরাও এই গহনা বেশি ব্যবহার করে থাকে। চলতি শতাব্দীর শুরু থেকে সোনার দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীজুড়ে ইমিটেশন গহনার চাহিদা বাড়তে থাকে। এর প্রভাব পড়ে আমাদের দেশেও। বিয়ে থেকে শুরু করে প্রায় সব অনুষ্ঠানেই ইমিটেশনের গহনার ব্যবহার বেড়েছে। এ শিল্পের বাজারে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। দ্রæত পরিবর্তনশীল এ খাতকে কেন্দ্র করে জীবন ও জীবীকার সংস্থান হয়েছে লাখো মানুষের। শুধু কর্মসংস্থান নয়, এ শিল্প পণ্য রপতানি করে বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।
Major activities of the sub-project
দেশজ উৎপাদন
দেশে মোট চাহিদার কতটুকু উৎপাদন হয়
বাংলাদেশ ইমিটেশন জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স, এক্রপোর্টার্স অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, দেশে মোট চাহিদার উৎপাদন হয় মাত্র ২০ শতাংশ। বাকি ৮০ শতাংশ আমদানি হয় ভারত, চীন ও অন্যান্য দেশ থেকে। এর মধ্যে ভারত থেকে ৬০ শতাংশ, চীন হতে ১০ শতাংশ এবং বাকি ১০ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়।
আমদানীর তথ্য
ইমিটেশন বাজারের ৮০ শতাংশই আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। দেশী উদ্যোক্তাদের দখলে মাত্র ২০ শতাংশ। মোট আমদানির প্রায় ৮০% ইমিটেশন জুয়েলারী ভারত থেকে ও ২০% পণ্য চীন থেকে আমদানি করা হয়। Foreign Trade Statistics of Bangladesh, Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) ও বাংলাদেশ ইমিটেশন জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারার্স, এক্রপোর্টার্স অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর ইমিটেশন জুয়েলারী আমদানির তথ্যানুযায়ী বর্তমান বাংলাদেশে ইমিটেশন বাজার মূল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। বাংলাধেশ সরকরের শিল্প খাত এগিয়ে এলেই ইমিটেশন গহনার খাত আধুনিক করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সেইসঙ্গে কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।
বাংলাদেশে কয়টি ক্লাষ্টার আছে
রাজধানীর বাইরে ঝিনাইদহের মহেশপুর ও কোটচাঁদপর, যশোর জেলার যশোর, মণিরামপুর ও চৌগাছা, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া, সাভারের ভাকুরতা, সাতক্ষীরার দেবহাটা, নলতা, নওগাঁর রাণীনগর ও বগুড়া পৌরসভাধীন ধরমপুরসহ কয়েকটি গ্রামে ইমিটেশনের গহনা তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া রাজধানীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা নবাবগঞ্জে ইমিটেশন গহনায় পাথর বসানো ও রঙের কাজ করা হয়।
গড় মজুরি আগে কি ছিল এখন কি পরিমান
ইমিটেশন কারিগররা পূর্বে কোন প্রশিক্ষণ না পাওয়ায় তারা শুধুমাত্র কানের ছোট ছোট দুলের কাজ করতো যার উৎপাদন খরচ ছিল ৩/৪ টাকা এবং বিক্রি ছিল ৫/৬ টাকা। ফলে তারা সারাদিনে খরচ বাদ দিয়ে ৮০-১০০ টাকা আয় করতো। কিন্তু বর্তমানে তারা ছোট গহনার পাশাপাশি ইমিটেশন গোল্ড জুয়েলারীর বড়বড় পণ্য যেমন: সিতাহার, কন্ঠচিক, চিক, চুড়, বালা উৎপাদন করছে, যার ফলে তারা আগের তুলনায় অনেক বেশি আয় করতে পারে। সাধারনত সাজানো শ্রমিকেরা গড়ে দৈনিক ১৫০-২০০ টাকা আয় করে। তবে বর্তমানে মহেশপুর তথা অন্যান্য অঞ্চলের কারিগরেরা দৈনিক গড়ে ৩০০-৪০০ টাকা আয় করতে পারে। তবে অধিক দক্ষতা স¤পন্ন কারিগরেরা দৈনিক গড়ে ৬০০-৭০০ টাকা আয় করতে পারে।
Coverege
The sub-project will be implemented in the following geographical area:
Name of the district: Jhenidah, Name of the Upazila: Moheshpur



Upazial wise PACE Project area of SNF
Expected outcome
Income generating and creating employment of entrepreneurs through imitation gold jewelry production and marketing. Entrepreneurs increase income and improve quality of life through production and marketing of imitation gold jewelry.